কাভার্ড ভ্যান-সিএনজির সংঘর্ষ, দাদী-নাতিনসহ ৩ জন নিহত
-
স্টাফ রিপোর্টারঃ কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে সিএনজিচালিত
অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের দাদি-নাতনিসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ
ঘটনায় আহ...
লেবেল
- ২০১৮ সাল থেকে থাকছে না প্রাথমিক সমাপনী
- ৩১ লাখ শিশু না খেয়ে মারা যায়
- অনলাইনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
- আইফোনের চার্জ শেষ হয়
- এক চোখ খোলা রেখেই
- কিডনির প্রতিনিয়ত ক্ষতি
- ক্যানসার মোকাবিলায়
- গুগলের ইন্টারনেট বেলুন ঘিরে ফেলবে
- ঘরে বসে যেভাবে ভোটার হবেন
- ঘানায় শিক্ষাব্যবস্থা
- ড্রোন বিক্রির ব্যবসায়
- তাজমহল রহস্য
- দেশের বাজারে নতুন ফোন
- নতুন চমক নিয়েই বাজারে আসছে
- নতুন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ
- ফেসবুকে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য
- বাজারে আসছে আইফোন
- বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম
- মটোরোলা আনছে ‘আনব্রেকেবল
- মানিব্যাগে রাখা যাবে
- মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রোম
- সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন
- সার্চ বক্সের উন্নত সংস্করণ চালু করলো
- সোনার দাম কমছে
- Admission
- Education
- History of Bangladesh
- Next Program
- Taj Mahal
- World History
Info
-
-
Make your Investment wisely - There are many variations of passages of Lorem Ipsum available . But the majority have suffered alteration in some form.
-
Tamim could not stop anything - Tamim Iqbal has made a century against Pakistan in the ICC Champions Trophy preparation match Tamim hit nine fours and four spectacular sixes in 93 runs i...
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
This my post of Neef it
The Book of Common Prayer is one of those books
that helps shape my life and spirituality. I was once asked to list
books that have most influenced my life, vocational discernment and
spirituality - I had a list of important books I'd read, but I also
inserted a subset of books that continue to be of importance on a
regular basis; in this small collection of books, the Book of Common
Prayer shared pride of place with the Bible as one that I most
frequently read.hi .... Read ..
1.What is politics?
Government is the regulation of public affairs, and politics is the
means by which people determine whose views of government will prevail. The American humorist Finley Peter Dunne said, “Politics ain’t beanbag,” summarizing Niccolo Machiavelli’s advice to Lorenzo di Piero de’ Medici in The Prince (1513).
REED....
REED....
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
computer keyboard
A keyboard is
the set of typewriter-like keys that enables you to enter data
into a computer and other devices. Computer keyboards are similar to
electric-typewriter keyboards but contain additional keys. External
input device used to type data into some sort of computer system whether it be a mobile device, a personal computer, or another electronic machine .There
is no standard computer keyboard, although many manufacturers imitate the
keyboards of PCs. There are actually three different PC keyboards: the
original PC keyboard, with 84 keys; the AT
keyboard, also with 84 keys; and the enhanced keyboard, with 101 keysIn addition
to these keys, keyboards usually contain the following keys: Page Up,
Page Down, Home, End, Insert, Pause,
Num Lock, Scroll Lock, Break, Caps Lock, Print Screen.
Ebook For Blog
আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন আশাকরি সবাই খুব ভাল ও সুস্থ আছেন । যাই হোক অনেক দিন পর পিসি হেল্প লাইন বিডিতে পোস্ট লিখতে এলাম । আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে একটি বাংলা ব্লগার শিখার জন্য ইবুক নিয়ে এলাম আশাকরি এই ইবুক টি পড়লে আপনার উপর হবে এবং আপনিও কিছু টা হলেও ব্লগার সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং নিজে নিজে এডিট করতে পারবেন। ব্লগার মানে আমি ব্লগস্পট এর কথা বলছি ব্লগিং এর জন্য আশাকরি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন । যদি আপনি ইবুক ডাউনলোড করতে পড়তে ইচ্ছুক হন তাহলে অবশ্যই নিচে থেকে ডাউনলোড করেনিন মিডিয়া ফাইর লিঙ্ক দেওয়া আছে । আশাকরি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হবে না ।
Download here : https://www.mediafire.com/?37jm2xrn0o9lrmw
ইবুক টি পড়ে কেমন লাগল অবশ্যই যানাবেন কোন ভুল থাকলে সেগুল ধরিয়ে দিয়ে সাহায্য করবেন । ইবুকের মধ্যে অনেক বানান ভুল থাকতে পারে সেগুল হয়ত টাইপিং ভুল হতে পারে সেগুল নিজে একটু কষ্ট করে ঠিক করে পড়ে নিবেন । ইবুক টি ভাল লাগলে অবশ্যই বন্ধদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না । চাইলে এই ইবুক টি আপনি আপনার ব্লগে পোস্ট করতে পারেন বা অন্য যেকোনো ব্লগে পোস্ট করতে পারেন তবে অনুরধ অবশ্যই আমার উপরের লিঙ্ক শেয়ার করবেন । ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন আমাদের সঙ্গে তাখুন পিসি হেল্প লাইন বিডির সঙ্গে তাখুন । আসসালামু আলাইকুম ।
আমার ব্লগ থেকে ঘুরে আসুন এখানে ক্লিক করুন
connect with me facebook... MN Bijoy Aryan
তৈরি করুন তারবিহীন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এখন আর কোনো অপরিচিত কিছু নয়। প্রায় বাসা ও অফিসেই এখন একাধিক কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপ পাওয়া যাবে। সেগুলির মধ্যে তথ্য দ্রুত আদানপ্রদান করার জন্য মাঝে মধ্যেই নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। কেবল কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপ নয় এখন অনেক স্মার্টফোনও নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। আপনার যদি কোনো স্মার্টফোন কিংবা ট্যাবলেট থাকে তাহলে তারবিহীন নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন। এই টিউটোরিয়ালে আমরা খুব সহজে বাসায় কিংবা ছোট অফিসের জন্য তারবিহীন নেটওয়ার্ক তৈরির পদ্ধতি শেখব।>১. ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক কী?
সাধারন নেটওয়ার্কের মতোই ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক বিভিন্ন কম্পিউটার নিয়ে গড়ে ওঠে। তবে আমাদের পরিচিত সাধারণ নেটওয়ার্কে কম্পিউটারসমূহ যুক্ত থাকে বিভিন্ন ক্যাবল বা তারের মাধ্যমে। কিন্তু ওয়্যারলেস বা তারহীন নেটওয়ার্কে কম্পিউটারসমূহকে তার দিয়ে যুক্ত করার দরকার হয়না। সাধারণ নেটওয়ার্কে তামার তার কিংবা ফাইবার অপটিক ক্যাবল ব্যবহারের চেয়ে আধুনিক উপায় হলো ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং।তারযুক্ত নেটওয়ার্কের তুলনায় তারবিহীন নেটওয়ার্কের কিছু সুবিধা ও অসুবিধা আছে। সুবিধার মধ্যে বড় হলো এই যে এখানে বিভিন্ন ধরনের তার ইনস্টল করার দরকার হয় না। অসুবিধা হলো এই যে তারবিহীন নেটওয়ার্কে রেডিও ওয়েভের interference দেখা দিতে পারে। ওয়েভ ট্রান্সমিশনে এই ব্যাঘাত ঘটতে পারে আবহাওয়া, ডিভাইস কিংবা দেয়ালের মতো কোনো বাধার কারণে।
বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উভয় স্থানেই তারবিহীন নেটওয়ার্ক বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। দিন দিন তারবিহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির উন্নতি ঘটছে এবং সেই সাথে এসব নেটওয়ার্কিং ডিভাইসের দামও কমে আসছে। ইতোমধ্যে তারবিহীন নেটওয়ার্কের বিভিন্ন স্ট্যান্ডার্ডও গৃহীত হয়েছে। বর্তমানে জনপ্রিয় ওয়্যারলেস ল্যান গড়ে ওঠে IEEE 802.11 বা Wi-Fi স্ট্যান্ডার্ডের উপর ভিত্তি করে।
২. কেন ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক তৈরি করবেন?
ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক ডাটা কম্যুনিকেশনের এক সহজ উপায়। এতে বাতাসকে মিডিয়া হিসেবে ব্যবহার করা হবে। ফলে একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে ডাটা কম্যুনিকেশনের জন্য সেগুলিকে তার দিয়ে যুক্ত করতে হবে না। আগের তারযুক্ত নেটওয়ার্কের সাথেও এই তারবিহীন নেটওয়ার্ক যোগ করা যাবে। এরকম নেটওয়ার্কের ফলে মোবাইল ইউজারদের অনেক সুবিধা হবে। যেমন কোনো ইউজার ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করলে অফিসের মধ্যে যেকোনো স্থানে বসলেই নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হতে পারবে। এজন্য তাকে কোনো তারের সাথে যুক্ত হতে হবে না।<pতারবিহীন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে নিচের সুবিধাগুলি পাবেন:
- স্থানান্তরের সুবিধা: মোবাইল ইউজাররা সহজেই নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হতে পারে। এর ফলে তাদেরকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হয় না। স্বাচ্ছন্দে নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার ফলে তাদের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়।
- সহজ ও দ্র্রুত ইনস্টলেশন: তারবিহীন নেটওয়ার্ক সহজেই ইনস্টল করা যায়। এখানে কেবল ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক এডাপ্টার ইনস্টলেশন করেই আপনি কম্পিউটারসমূহের মধ্যে নেটওয়ার্ক তৈরি করে ফেলতে পারেন। এছাড়া একসেস পয়েন্ট কিংবা রাউটার কোনো কেন্দ্রীয় স্থানে স্থাপন করা হলেই আপনার নেটওয়ার্ক সেটআপ শেষ। ক্যাবলিঙের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।
- নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি: তার দিয়ে যুক্ত করা যায় না এমন স্থানেও
তারবিহীন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নেটওয়ার্কিংকে বিস্তৃত করা সম্ভব হয়। যেমন
কোনো ক্যাফেতে এরকম নেটওয়ার্ক সেটআপ করা থাকলে ক্রেতারা এসে তাদের ডিভাইস
যুক্ত করতে পারে যেকোনো সময়। তারপর তারা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে।
অধিক নমনীয়তা: তারবিহীন নেটওয়ার্কের নমনীয়তা বেশি এবং একে সহজেই বিভিন্ন পরিবেশে ব্যবহার করা সম্ভব হয়। - কম মালিকানা ব্যয়: তারবিহীন নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে প্রারম্ভিক বিনিয়োগ একটু বেশি হলেও এর অন্যান্য খরচ নেই বললেই চলে। তারবিহীন নেটওয়ার্কে ক্যাবলিং ঠিক রাখার মতো কোনো সংরক্ষণ ব্যয় নেই। নূতন কোনো স্থানে নেটওয়ার্ককে নিয়ে যাওয়ার জন্যও বাড়তি কোনো ব্যয় নেই।
- পরিবর্ধনযোগ্যতা: তারবিহীন নেটওয়ার্ককে সহজেই পরিবর্ধন করতে পারেন।
এজন্য বাড়তি কম্পিউটারসমূহে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক এডাপ্টার যোগ করা কিংবা
বাড়তি ওয়্যারলেস একসেস পয়েন্ট বা রাউটার যোগ করাই যথেষ্ট। এছাড়া আপনি
সহজেই ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের কনফিগারেশন পরিবর্তন করতে পারেন। ওয়্যারলেস
নেটওয়ার্ককে তারযুক্ত নেটওয়ার্কের সাথেও যুক্ত করা যায়।
তারবিহীন নেটওয়ার্কের জন্য Bluetooth এবং 802.11b ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে
উঠছে। এসব স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী বিভিন্ন ডিভাইস ক্রমেই সহজলভ্য হয়ে
উঠছে। এসব ডিভাইসের সহজলভ্যতার কারণে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কও ক্রমেই
জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই প্রবণতা দেখে বোঝা যাচ্ছে যে আগামী কয়েক বছরের
মধ্যে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক বর্তমান তারযুক্ত নেটওয়ার্কের স্থান দখল করে
নেবে।
this is my 7th number post
নেটওয়ার্ক
মিনহাজ
আপনারা যারা পরা শোনা করেন
তাদের সবাই চার থেকে ছয় ঘনটা সময় ঘোড়া গরি করেন অথবা শুয়ে বসে কাটান । আপনারা সবাই
পরা শোনা শেষ করে
চাকরি খোঁজা খোজি
করেন কিন্ত চাকরি না পেয়ে দেশের ব্যাকার সমস্যা করেন ।আমি আপনাদের উদ্দেশে একটা
কথা বলতে চাই যে আপনারা ঘরে বসে নিজের কর্মসংস্তান নিজে তেরি করতে পারেন অনলাইনের
মাদ্দমে ফ্রিলাঞ্চিং করে । ফ্রিলাঞ্চিং এর ভিতরে অনেক গুলু সাইট রয়েছে আপনার পছন্দ
মত যে কাজটা ভালো লাগে সেটা আপনি করতে পারেন ।ফ্রিলাঞ্চিং এর ভিতরে সবচেয়ে জনপ্রিয়
সাইট হচেছ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ।
আজকে আমরা জানব যে ব্লগিং কি ? এবং ব্লগিং করা দরকার কেন ?
ব্লগিং কি ? একটি ব্লগ ইংরেজি ব্যাকরণ একটি বিশেষ্য হিসেবে ক্রিয়া হয়, আপনি একটি ব্লগ যেখানে আপনি একটি ডিজিটাল ফরম্যাটে তৈরি করবেন এবং আপনার বিষয়বস্তু/নিবন্ধ/ ছবি সব ইত্যাদি উল্লেখ করতে পারবেন।
এটাকে একটি অনলাইন ডায়েরি বলতে পারেন। আপনি এবং বিশ্বের সবাই আপনার ডায়েরি দেখতে পারেন, যাহারা চান বা যখন যারা অনুসন্ধান করেন। অতএব কিছু ব্লগিং বলা হয় লিখতে বা আপলোড করতে মূলত।
বর্তমান বিশ্বে ব্লগিং দ্রুত সাবালক প্রবণতা হয়ে উঠেছে। এখন প্রতি ব্যক্তির সমগ্র বিশ্বের সাথে তার চিন্তা এবং পরীক্ষায় ভাগ করে একটি ব্লগ আছে।
এটি একটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ অনলাইনের মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করতে অত্যাশ্চর্য ভাবে পরিণত হয়েছে। তাই আজ,আমি আপনাকে ব্লগিং সম্পর্কে একটি ধারণা দিতে চাই ।
ব্লগিং এর ইতিহাস: ইন্টারনেটে ব্লগিং 1998 সালে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। Blogger.com এবং Blog.com লেখক গুলির কাছে বিনামূল্যে প্ল্যাটফর্ম হিসাবে শুরু হয়। কিন্তু যখন WordPress চলে আসে তখন ব্লগারদের নাটকীয়ভাবে দমকল শুরু হয়।
ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার এবং আরো এই ধরনের প্লাটফর্ম মূলত আপনি মিনিটের মধ্যে আপনার ব্লগে স্থাপন করতেপারেন যেখানে বিনামূল্যে সরঞ্জাম।
কিভাবে একটি ব্লগ শুরু করবেনঃ শুরু করবেন একটি ব্লগ যাহা হল রুম শোভা করের মত একই, যেখানে আপনি প্রথম নকশা সম্পর্কে চিন্তা করবেন,তার পর আপনি আপনার রুমে পণ্যদ্রব্য দিয়া সাজাইয়া রাখবেন, এর পর আপনি রুমে বসবাস শুরু করবেন।
এই রকমেই আপনার ব্লগের কথা চিন্তা করতে হবে । এছাড়াও ব্লগিং শুরু করার জন্য কিছু দক্ষতা প্রয়োজন। আপনার ব্লগিং শুরু করার জন্য কিছু ধারনার প্রয়োজন হতে পারে, এবং ধারণা মূলত আপনি যে বিষয়ে লিখবেন তার উপর থাকতে হবে।
ইন্টারনেটে অনেক প্লাটফর্ম আছে যেখানে আপনি বিনামূল্যের জন্য আপনার ব্লগ শুরু করতে অথবা ব্যবহার করতে পারেন । এবং এখানে কিছু ব্লগের তালিকা উল্লেখ করা হল ।
শীর্ষ ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এর তালিকা:
· Blogger.com
· WordPress.com
· Blog.com
· Weebly.com
· Webs.com
· Wix.com
· Typed.com
· webnode.com
উপরোক্ত ওয়েবসাইট থেকে আপনি খুব কম সময়ে আপনার ব্লগ তৈরি করুন বিনামূল্যে, শুধু আপনার কুলুঙ্গি একটি বিষয় নির্বাচন করে আজ থেকে প্রথম লেখা শুরু করেন, আপনি চিরকালের জন্য এখানে লাইভ হবেন ।
আপনি ব্লগের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেনঃ হ্যাঁ, আপনি আয় করতে পারেন। আপনার ব্লগে কিছু অনন্য কন্টেন্ট এবং জেনুইন দর্শক আছে, তাহলে আপনি নিশ্চয় আপনার ব্লগের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এবং তা হোল আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে।
মূলত আপনি গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে টাকা উপার্জন এবং আপনার পাঠকদের রূপান্তর করতে পারেন।
অন্য নেটওয়ার্ক বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে টাকা উপার্জন করতে পারেন। তবে, আপনার ব্লগ জেনুইন কন্টেন্ট এবং দর্শক থাকতে হবে। তাই দর্শক ড্রাইভিং এর জন্য, আপনি এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান) মধ্যে বিশেষজ্ঞ হতে হবে।
আরও বিস্তারিত জানার জন্য ঘুরে আসুন আমার ব্লগ থেকে এখানে ক্লিক করুন ।
ফেসবুক এ আমি এম এন বিজয় আরিয়ান ।
ব্লগিং কি ? একটি ব্লগ ইংরেজি ব্যাকরণ একটি বিশেষ্য হিসেবে ক্রিয়া হয়, আপনি একটি ব্লগ যেখানে আপনি একটি ডিজিটাল ফরম্যাটে তৈরি করবেন এবং আপনার বিষয়বস্তু/নিবন্ধ/ ছবি সব ইত্যাদি উল্লেখ করতে পারবেন।এটাকে একটি অনলাইন ডায়েরি বলতে পারেন। আপনি এবং বিশ্বের সবাই আপনার ডায়েরি দেখতে পারেন, যাহারা চান বা যখন যারা অনুসন্ধান করেন। অতএব কিছু ব্লগিং বলা হয় লিখতে বা আপলোড করতে মূলত।
বর্তমান বিশ্বে ব্লগিং দ্রুত সাবালক প্রবণতা হয়ে উঠেছে। এখন প্রতি ব্যক্তির সমগ্র বিশ্বের সাথে তার চিন্তা এবং পরীক্ষায় ভাগ করে একটি ব্লগ আছে।
এটি একটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ অনলাইনের মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করতে অত্যাশ্চর্য ভাবে পরিণত হয়েছে। তাই আজ,আমি আপনাকে ব্লগিং সম্পর্কে একটি ধারণা দিতে চাই ।
ব্লগিং এর ইতিহাস: ইন্টারনেটে ব্লগিং 1998 সালে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। Blogger.com এবং Blog.com লেখক গুলির কাছে বিনামূল্যে প্ল্যাটফর্ম হিসাবে শুরু হয়। কিন্তু যখন WordPress চলে আসে তখন ব্লগারদের নাটকীয়ভাবে দমকল শুরু হয়।
ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার এবং আরো এই ধরনের প্লাটফর্ম মূলত আপনি মিনিটের মধ্যে আপনার ব্লগে স্থাপন করতেপারেন যেখানে বিনামূল্যে সরঞ্জাম।
কিভাবে একটি ব্লগ শুরু করবেনঃ শুরু করবেন একটি ব্লগ যাহা হল রুম শোভা করের মত একই, যেখানে আপনি প্রথম নকশা সম্পর্কে চিন্তা করবেন,তার পর আপনি আপনার রুমে পণ্যদ্রব্য দিয়া সাজাইয়া রাখবেন, এর পর আপনি রুমে বসবাস শুরু করবেন।
এই রকমেই আপনার ব্লগের কথা চিন্তা করতে হবে । এছাড়াও ব্লগিং শুরু করার জন্য কিছু দক্ষতা প্রয়োজন। আপনার ব্লগিং শুরু করার জন্য কিছু ধারনার প্রয়োজন হতে পারে, এবং ধারণা মূলত আপনি যে বিষয়ে লিখবেন তার উপর থাকতে হবে।
ইন্টারনেটে অনেক প্লাটফর্ম আছে যেখানে আপনি বিনামূল্যের জন্য আপনার ব্লগ শুরু করতে অথবা ব্যবহার করতে পারেন । এবং এখানে কিছু ব্লগের তালিকা উল্লেখ করা হল ।
শীর্ষ ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এর তালিকা:
· Blogger.com
· WordPress.com
· Blog.com
· Weebly.com
· Webs.com
· Wix.com
· Typed.com
· webnode.com
উপরোক্ত ওয়েবসাইট থেকে আপনি খুব কম সময়ে আপনার ব্লগ তৈরি করুন বিনামূল্যে, শুধু আপনার কুলুঙ্গি একটি বিষয় নির্বাচন করে আজ থেকে প্রথম লেখা শুরু করেন, আপনি চিরকালের জন্য এখানে লাইভ হবেন ।
আপনি ব্লগের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেনঃ হ্যাঁ, আপনি আয় করতে পারেন। আপনার ব্লগে কিছু অনন্য কন্টেন্ট এবং জেনুইন দর্শক আছে, তাহলে আপনি নিশ্চয় আপনার ব্লগের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এবং তা হোল আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে।
মূলত আপনি গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে টাকা উপার্জন এবং আপনার পাঠকদের রূপান্তর করতে পারেন।
অন্য নেটওয়ার্ক বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে টাকা উপার্জন করতে পারেন। তবে, আপনার ব্লগ জেনুইন কন্টেন্ট এবং দর্শক থাকতে হবে। তাই দর্শক ড্রাইভিং এর জন্য, আপনি এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান) মধ্যে বিশেষজ্ঞ হতে হবে।
আরও বিস্তারিত জানার জন্য ঘুরে আসুন আমার ব্লগ থেকে এখানে ক্লিক করুন ।
ফেসবুক এ আমি এম এন বিজয় আরিয়ান ।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)



